1. info@banglanewstelevision.live : bangla news television : bangla news television
  2. doinikajkerunmocon@gmail.com : Emon Khan : Emon Khan
  3. admin@www.banglanewstelevision.live : বাংলা নিউজ টেলিভিশন :
বৃহস্পতিবার, ০৬ অক্টোবর ২০২২, ০২:৩৬ অপরাহ্ন

কয়রার ঐতিহাসিক মসজিদকুড় মসজিদ পরিদর্শনে সাংস্কৃতিক প্রতিমন্ত্রী।

বাংলা নিউজ টেলিভিশন-
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২ আগস্ট, ২০২২
  • ৩১ বার পড়া হয়েছে

মোঃ রিপন সরদার,প্রতিনিধি কয়রা খুলনা- আনুমানিক ৬০০ বছর পূর্বের ঐতিয্যবাহী খুলনার কয়রা উপজেলার আমাদী ইউনিয়নে অবস্থিত পীর খানজাহান আলী (রাঃ) এর নির্মিত ঐতিহাসিক মসজিদকুড়ের মসজিদ পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ সরকারের সাংস্কৃতিক বিষায়ক প্রতিমন্ত্রী কে.এম খালিদ এমপি।

আজ দুপুর ১২টায় আমাদী ইউনিয়নের আয়োজনে মসজিদকুড়ের মসজিদের ঈদগাহ ময়দানে মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। আমাদী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জুয়েলের সভাপতিত্বে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন কয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনিমেষ বিশ্বাস, খুলনা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ পারভেজ হাওলাদার, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি জি.এম মহাসিন রেজা, কয়রা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহজ্ব এস.এম মোঃ শফিকুল ইসলাম, পাইকগাছা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ আনোয়ার ইকবাল মন্টু, সকল চেয়ারম্যানদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন কয়রা সদর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান বাহারুল ইসলাম, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন খুলনা-৬ আসনের সংসদ আক্তারুজ্জামান বাবু।

সর্বশেষ মতবিনিময় সভায় বক্তৃতা করেন প্রধান অতিথি সাংস্কৃতিক বিষায়ক প্রতিমন্ত্রী কে.এম খালিদ এমপি। তিনি বলেন, দেশের প্রত্যন্ত দক্ষিণ অঞ্চলে অতীতের ঐতিহ্যবাহী অনেক নিদর্শনা ও স্থাপনা রয়েছে সেগুলো রক্ষাণাবেক্ষণসহ মসজিদ সংস্কারের জন্য আর্থিক অনুদান ও দুটি সংস্কৃতি ভবন তৈরী করে দেওয়ার ও আশ্বাস দেন।

মতবিনিময় সভা শেষে পীর খানজাহান আলী খনন কৃত আমাদী দীঘি ও কাবাড়ী পাড়ার কালী মন্দির পরিদর্শন করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এসএম মুনিম লিংকন, স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক মোঃ ইউসুফ আলী, মহারাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, চাঁদখালী ইউপি চেয়ারম্যান শাহাজাদা আবু ইলিয়াস সহ উপজেলার সকল ইউপি চেয়ারম্যান, কয়রা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ.বি.এম.এস. দোহা (বিপিএম), খান সাহেব ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ ড. চয়ন কুমার রায়সহ উপজেলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, সেচ্ছাসেবকলীগ, ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন পেশার লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য যে, ঐতিহাসিক এই মসজিদকূঁড় মসজিদটি ১৯৪৭ সালে ভারত বিভক্তির পর মসজিদটি আবিষ্কৃত হয়। পূর্বে এ অঞ্চলটি বন ও বিভিন্ন গাছ-পালায় ভরপুর ছিলো। পরবর্তীতে খননকার্য সম্পাদনা করে মাটির নিচের এই মসজিদটি আবিষ্কার করা হয়। মসজিদটি আবিষ্কারের সময় সেখানে কোন শিলালিপি পাওয়া যায়নি বলে এর নির্মাণ-এর সময় সম্পর্কেও সঠিক ধারণা পাওয়া যায় না। মাটির নিচ থেকে খুঁড়ে মসজিদটি আবিষ্কৃত হয় বলে একে মসজিদকুঁড় নামে নামকরণ করা হয়েছিল। আকারে প্রতিটি দেয়াল প্রায় ৭ ফুট প্রশস্ত। এছাড়াও এটি বর্গাকারে নির্মাণ করা হয়েছিল যার বাইরে ও ভেতরের দৈর্ঘ্য যথাক্রমে ৫৪ ও ৩৯ ফুট। মসজিদটির সামনে রয়েছে তিনটি দরজা ও অভ্যন্তরে রয়েছে পাথরের তৈরি চারটি স্তম্ভ। দেয়াল ও স্তম্ভ মিলিয়ে তিনটি সারিতে তিনটি করে মোট ৯টি গম্বুজ রয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© বাংলা নিউজ টেলিভিশন মিডিয়া লিমিটেড-২০২২ (দৈনিক বাংলার সংগ্রাম পত্রিকার একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান) সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি

ওয়েবসাইট নকশা প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট