1. info@banglanewstelevision.live : bangla news television : bangla news television
  2. doinikajkerunmocon@gmail.com : Emon Khan : Emon Khan
  3. admin@www.banglanewstelevision.live : বাংলা নিউজ টেলিভিশন :
শনিবার, ০১ অক্টোবর ২০২২, ০৭:৪৮ অপরাহ্ন

খাগড়াছড়ির ননুছড়ি মৌজায় ১৮-২০’বছর আগে বিক্রিত জমি নিয়ে বিরোধ, আদালতে মামলা।

বাংলা নিউজ টেলিভিশন-
  • প্রকাশিত: বুধবার, ২০ জুলাই, ২০২২
  • ৩৪ বার পড়া হয়েছে

মোঃ লোকমান হোসেন, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:- খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার ননুছড়ির গামাড়ি ঢালা মৌজার পুরাতন ফরেষ্ট অফিস সংলগ্ন দক্ষিণে ৪’থেকে ৪.৫ কানি বা (০.৮০’ শতক-১০০’শতক = এক একর আশি শতক)জমি প্রায়(১৮-২০) বছর আগে বিক্রি করা জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে আদালতে মামলা, করা হচ্ছে পরস্পর পরস্পরকে দায়ী। ক্রেতা বলেছেন কিনেছে আর বিক্রেতা বলেছেন (বিক্রি) করেননি। চলছে সরেজমিনে প্রশাসন ভুমি অফিস কর্তৃপক্ষের তদন্ত চলমান রয়েছে বলেও জানান তারা।
উভয় পক্ষের ডাকে বা অভিযোগের ভিত্তিতে সরেজমিনে সাংবাদিক নিউজের তথ্য সংগ্রহ কালে ক্রেতা ও বিক্রেতার বক্তব্য আপনাদের সামনে তুলে ধরা হলো। ক্রেতার বক্তব্যে তিনি বলেন, ২০০২ ইং সালে যৌথভাবে ০.৮০+০.২০’শতক ও পরে দুইবারে দুজনের কাছ থেকে ০.৪০+০.৪০=০.৮০’শতক জমি ক্রয় করা হয়েছে সেক্ষেত্রে আনুষ্ঠানিক ভাবে মৌজার প্রধান সহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি হিসাবে ওয়ার্ড মেম্বার ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থেকে (ক্রেতা-বিক্রেতার) বক্তব্য শুনে ও সবার সম্মুখেই স্বাক্ষীদের স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে।
ক্রেতা পক্ষ আরো বলেন, ২০০২ ইং সাল থেকে ২০২১ ইং সালের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত উক্ত জমি আমার ও আমাদের ভোগ দখলে ছিল কিন্তু ২০২১ ইং সাল থেকে বর্তমান সময় এখন পর্যন্ত জমি তাদের(অর্থাৎ যারা জমি বিক্রি করে) দখলে বলেও জানান ক্রেতা পক্ষ তবে তারা(ক্রেতা) অভিযোগ করেন বিক্রেতাগন জমি জোর পূর্বক দখল করে নিয়েছে।
বিক্রেতাদের কাছে জমি বিক্রির ও জোর করে দখলের বিষয়ে জানতে চাইলে তারা (বিক্রেতারা) জানান, আমরা কখনো কোন জমি বিক্রি করিনি আর দখল নিয়ে বলতে হলে আমরা বলবো তারাই এতো দিন আমাদের জমি হাতিয়ে নেয়ার উদ্দেশ্যে জবর দখল করে নিয়েছিল ” এখন আমরা আমাদের জমি দখল মুক্ত করেছি।
বিক্রেতা’গনকে স্থানীয় বিক্রি দলিলে স্বাক্ষরের কথা জিজ্ঞাসা করা হলে তারা(বিক্রেতারা) বলেন, ক্রেতা পক্ষ বিভিন্ন সময়ে (রেশন কার্ড এর জন্য ও জমির কাগজপত্র ঠিক করার কথা বলে) আমাদের স্বাক্ষর নিয়েছে। হয়তো ঐ স্বাক্ষর নিয়ে অবৈধভাবে এ কাজ করে থাকতে পারে বলেও জানান তারা। তখন আমরা (মোঃ আবুল আলী ও মোছাঃ জান্নাতুল) ছোট ছিলাম আর তারা(আমার ভাইয়েরা) তাদের ভয়ে কোন কথা বলার সাহস পায়নি। তাছাড়া আমরা সবাই অশিক্ষিত তাই এমন করার সুযোগ’টা সহজেই পেয়েছে(ক্রেতা) তারা – বলেও জানান বিক্রেতা পক্ষ।
এদিকে ক্রেতার বক্তব্য মতে তদন্ত কালে একাধিক স্বাক্ষিগনের বক্তব্য মিল পাওয়া গেলেও, বিক্রেতাদের বক্তব্য একদম বিপরীত। যেমন প্রথম স্বাক্ষী মোঃ আবু মেম্বার বলেন, ক্রেতা (ড্রাইভার) মোঃ বাদশা মিয়া আনুষ্ঠানিক ভাবে মৌজার প্রধান সহ সকলের ও উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে আমাদেরকে স্বাক্ষী বানানো হয়েছিল,তখন আমারা স্বাক্ষীরা উভয় পক্ষকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে টাকা পয়সা সব ঠিকঠাক মতো লেনদেন হয়েছে কি না সবাই বলেছে হ্যা হয়েছে বলার পর আমরা স্বাক্ষীরা স্বাক্ষর করেছি, তবে আমাদের সামনে টাকা পয়সা লেনদেন হয়নি।
উল্লেখ্য যে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তিরা বলেন, উভয় পক্ষের মধ্যে মিথ্যা কথা রয়েছে,তাই এ সমস্যার সৃষ্টি বলেও জানান তারা। তারা আরো বলেন,এ সমস্যার সমাধান একমাত্র আদালত ছড়া সম্ভব হবেনা বলেও জানান অনেকই।
বর্তমান ৪নং মাইসছড়ি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ গিয়াস উদ্দিন লিডার তিনিও টাকা পয়সা সব ঠিকঠাক মতো লেনদেন হয়েছে কি না জিজ্ঞেস করে যেনে স্বাক্ষীর স্থানে স্বাক্ষর করেন বলেও জানান তিনি।
৪নং মাইসছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান বাবু সাজাই মার্মা বলেন, আমি এ কেনা-বেচা সম্পর্কে উপস্থিত ছিলাম না, আর আমার সামনে লেনদেন হয়নি তাই আমি এ কেনা-বেচা সম্পর্কে কিছু জানিনা।
তবে এ বিষয়ে বিরোধ রয়েছে তা জানি এবং কিছু দিন আগে একজন তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে এ জমি সংক্রান্ত বিরোধের বিষয়টি আপোষ মিমাংসা করার কথা হলে আমি উভয় পক্ষের(আপোষ মিমাংসা করতে ইচ্ছুক এমন) একটি করে আবেদন চেয়েছিলাম, বিক্রেতাদের পক্ষে আসলেও ক্রেতা পক্ষ আসেনি জানান চেয়ারম্যান সাজাই মার্মা। চেয়ারম্যান বাবু সাজাই মার্মা আরো বলেন,এক পক্ষ দিয়ে আপোষ মিমাংসা হয় না, তাই আমি ঐ বিষয়ে এগুতে পারেনি।
খাগড়াছড়ি ১নং সদর ইউপির চেয়ারম্যান বাবু জ্ঞ্যানো দত্ত ত্রিপুরা বলেন, মনে হয় মাইসছড়ি থেকে মোঃ বাদশা মিয়া নামে জমি সংক্রান্ত বিরোধ বিষয়ে একটি আবেদন এসেছিল। আমি সমাধানে আন্তরিক ছিলাম কিন্তু আদালতে মামলা চলমান রয়েছে শুনে, আমি আইনের মাধ্যমে সমাধান হোক বলে দিয়েছি।
মোঃ লোকমান হোসেন খাগড়াছড়ি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© বাংলা নিউজ টেলিভিশন মিডিয়া লিমিটেড-২০২২ (দৈনিক বাংলার সংগ্রাম পত্রিকার একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান) সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি

ওয়েবসাইট নকশা প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট