1. info@banglanewstelevision.live : bangla news television : bangla news television
  2. doinikajkerunmocon@gmail.com : Emon Khan : Emon Khan
  3. admin@www.banglanewstelevision.live : বাংলা নিউজ টেলিভিশন :
বৃহস্পতিবার, ০৬ অক্টোবর ২০২২, ০২:১৯ অপরাহ্ন

দূর্গাপুর উপজেলার ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উমেদার কর্তৃক ভোগান্তির স্বীকারের অভিযোগ সেবা নিতে আসা মানুষের।

বাংলা নিউজ টেলিভিশন -
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ মার্চ, ২০২২
  • ৫০ বার পড়া হয়েছে

 

মোঃ নাইম হোসেন,দূর্গাপুর (রাজশাহী) প্রতিনিধি:

রাজশাহীর দূর্গাপুর উপজেলার ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ঘুষ ছাড়া কাজ হয় না। সেবা নিতে সেখানে পদে পদে উমেদারদের ঘুষ দিতে হচ্ছে বলে জানিয়েছে সেবা নিতে আসা একাধিক সেবাপার্থীরা। ঘুষ দিতে না চাইলে কাজ হবেনা বলে গালিগালাজ এবং হুমকি ধামকিও দেয় ওই অফিসের উমেদারগন। ভুক্তভোগিদের অভিযোগ, লক্ষনখলসি ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপ- সহকারি ভূমি কর্মকর্তা অহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে বাহিরে থেকে নিয়ে আসা কম্পিউটার অপারেটর সবুজ কে দিয়ে দীর্ঘ দিন ধরেই চালিয়ে যাচ্ছে এই ঘুষ বাণিজ্য। প্রতিবাদ করলেই বিভিন্ন গালিগালাজ এবং হুমকি ধামকিও দিচ্ছেন এই উমেদার কম্পিউটার অপারেটর সবুজ। জানাগেছে, উপ-সহকারি ভূমি কর্মকর্তা অহিদুল এবং উমেদার সবুজের মধ্যে আত্বীয়তার সম্পর্ক রয়েছে। তারই প্রেক্ষিতে ওই অফিসের জমি খারিজের সকল কাজ সবুজের হাতে। যার কারনে প্রতিটি দলিল খারিজ প্রতি ২ হাজার টাকা করে দিতে হয় উমেদার সবুজকে।এ দিকে সিংগাহাট ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপ-সহকারি ভূমি কর্মকর্তা গোলাম এজাজের নেতৃত্বে বাহিরে থেকে কাজ করতে নিয়ে আসা শরিফুল ও তুষার দুইজন কম্পিউটার অপারেটর ঘুষ না পেলে একটা ফাইলও ছাড়েন না এবং এই দুইজন মানুষের সাথে খারাপ আচরন করে বলে জানিয়েছেন সেবানিতে আসা একাধিক ব্যক্তিরা। টাকা ছাড়া কোন সেবা পাইনা খাজনা দিতে আসা মানুষ। এ ছাড়াও নামজারি করতে গেলে সহকারি কমিশনার (ভূমি) মহাদয় বরাবর আবেদন করার পরে তহসীল অফিসে পাঠানো হয়।এ দিকে বর্দ্ধনপুর গ্রামের খাজনা দিতে আসা এক ব্যক্তি জানান, আমার খাজনা রশিদে ৫০০ টাকা লেখার পর আমার কাছ থেকে ১০০০ টাকা দাবি করেন নায়েব প্রনব কুমার বিশ্বাস। আমি টাকা দিতে না চাইলে খাজনা রশিদ দেবেনা বলে। পরে আমি ১০০০ টাকা দিতে বাধ্য হয় তাকে। শুধু তাই নয় নায়েব প্রণব কুমার বিশ্বাস মুল ভলিয়ম বইয়ে রুল পেন্সিল দিয়ে লেখে খাজনা বেশি আদায় করছে বলেও জানায় খাজনা দিতে আসা সাধারন মানুষ।নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ভুক্তভোগি বলেন, এই অফিসের নায়েব প্রনব কুমার বিশ্বাস কাজের চেয়ে কথা শুনায় বেশি। আমি একটা খতিয়ানের তথ্য জানতে চাইলে ওই অফিসের সালেহার আমার কাছে এক হাজার টাকা দাবি করেন। কয়েকদিন অফিসে ধর্না দিলেও কাজ হয়নি। পরে ওই অফিসের উমেদার শরিফুলকে ২০০ শত টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি। তারপরও তারা আমার পৈত্রিক সুত্রে পাওয়া খতিয়ানের মুল তথ্য দেয়নি।অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) শুভ দেবনাথ বলেন, তহসীল অফিসের বিভিন্ন অভিযোগ আমি শুনেছি। আর মূল ভলিয়মে রুল পেন্সিল দিয়ে খাজনা হিসাব করে লেখে রাখার কোন বিধান নেই। এ বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© বাংলা নিউজ টেলিভিশন মিডিয়া লিমিটেড-২০২২ (দৈনিক বাংলার সংগ্রাম পত্রিকার একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান) সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি

ওয়েবসাইট নকশা প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট